দ্বিতীয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নতুন কাউকে অপরাধে সম্পৃক্ত করলে গ্রহণযোগ্য হবে কিনা?
অপরাধ প্রমাণের জন্য কনফেশন বা স্বীকারোক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৬৪ ধারার অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তি মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ১ম ও ২য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বীকারোক্তি দিতে পারে। স্বীকারোক্তিতে সাধারণত অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে। পাশাপাশি অপরাধ সংগঠনে জড়িত অন্যান্যদের নামও তার স্বীকারোক্তিতে উঠে আসতে পারে। তবে অন্যান্য জোরালো প্রমাণ না পাওয়া গেলে সহ-অভিযুক্তের (co-accused) স্বীকারোক্তিকে দুর্বল প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়। কেননা অভিযুক্ত প্রতিহিংসাবশত অন্যদের ফাঁসিয়ে দিতে পারে। আবার কখনো কখনো অভিযুক্ত একাধিক স্বীকারোক্তি প্রদান করতে পারে, যার প্রথমটিতে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম না থাকলেও দ্বিতীয়টিতে তার নাম অভিযুক্ত উল্লেখ করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে আদালতকে সতর্কতার সাথে স্বীকারোক্তিগুলোর সত্যতা যাচাই করতে হয়। এখন আমরা বাংলাদেশ ও ভারতীয় আদালতের এরকম কিছু মামলার নজির দেখবো, যেখানে আদালত দ্বিতীয় স্বীকারোক্তিতে নতুন করে নাম আসা অভিযুক্তদের শাস্তি থেকে নিষ্কৃতি দেন।